আমাদের কার্যক্রম
ইফতার সামগ্রী বিতরণ
ইফতার সামগ্রী বিতরণ শরীয়তপুর ইসলামী যুব সোসাইটির নিয়মিত কর্মসূচির একটি। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের অভাবী সিয়াম পালনকারীরা যেন রামযান মাসে নির্বিঘ্নে সিয়াম পালন ও ইবাদত-বন্দেগী করতে পারেন, সে লক্ষ্যে তাদের মধ্যে ইফতার সামগ্রী বিতরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। ইফতার করানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি আমল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোনো সিয়াম পালনকারীকে ইফতার করাবে তাকে সিয়াম পালনকারীর সমপরিমাণ সাওয়াব দেওয়া হবে। তাতে সিয়াম পালনকারীর সাওয়াব থেকে বিন্দুমাত্র কমানো হবে না। (সুনান তিরমিযী: হাদীস-৮০৭; সুনান ইবনু মাজাহ: হাদীস-১৭৪৬)
ইফতার সামগ্রীর মধ্যে থাকে,ছোলা,মুড়ি,চিড়া,খেজুর,চিনি, ইসবগুলের ভূসি ইত্যাদি।
ঈদ সামগ্রী বিতরণ
দরিদ্র মানুষের মুখে একটু হাসি ফুটানোর জন্য শরীয়তপুর ইসলামী যুব সোসাইটি আয়োজন করে থাকে ঈদ সামগ্রী বিতরণ।
আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত, জনৈক ব্যক্তি আল্লাহর রাসুল (সা.)-কে জিজ্ঞেস করল, ইসলামে কোন জিনিসটি উত্তম? তিনি বলেন, তুমি খাদ্য খাওয়াবে ও চেনা-অচেনা সবাইকে সালাম দেবে। (বুখারি, হাদিস : ১২)
অন্য হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, তোমাদের মধ্যে উত্তম মানুষ তারা, যারা মানুষকে খাবার খাওয়ায়। (মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ২৩৯৭১)।
ঈদ সামগ্রী এর মধ্যে থাকে সেমাই, চিনি,পোলার চাল, তৈল, গুঁড়ো দুধ ইত্যাদি।
বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি
প্রাকৃতিক ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার ক্ষেত্রে গাছ অবিকল্প ভূমিকা পালন করছে। এমনিতেই প্রাকৃতিক দুর্যোগ দিনে দিনে বেড়ে চলেছে, বাড়ছে জনসংখ্যার চাপ, পাশাপাশি চলছে নগরায়ণ, বাড়ছে বিষাক্ত ধোঁয়া, বাতাসে সিসার পরিমাণ। ফলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও পরিবেশগত বিরূপতায় আমরা মুখোমুখি হচ্ছি খরা, বন্যা, ঝড়, সাইক্লোন, ঘূর্ণিঝড়, ভূমিকম্পসহ নানা ধরনের ভয়াবহ প্রতিকূলতার। প্রাকৃতিক দুর্যোগ রোধে গাছ পালন করে উপকারী বন্ধুর ভূমিকা।
গাছ সৃষ্টির এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার কথা উল্লেখ করে আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘আমি বিস্তৃত করেছি ভূমিকে, স্থাপন করেছি পর্বতমালা এবং তা হতে উদগত করেছি নয়ন জুড়ানো সব ধরনের উদ্ভিদ। এটি আল্লাহর অনুরাগী প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য জ্ঞান ও উপদেশস্বরূপ। আকাশ থেকে আমি বর্ষণ করি উপকারী বৃষ্টি এবং তা দ্বারা আমি সৃষ্টি করি উদ্যান, শস্যরাজি ও সমুন্নত খেজুর বৃক্ষ, যাতে আছে গুচ্ছ গুচ্ছ খেজুর’- (সুরা কাফ, আয়াত : ৭-১০)।
গাছ লাগানোর গুরুত্ব ও ফযীলত ও অপরিসীম। এটি একটি সাদাকায়ে জারিয়ামূলক নেক কাজ। যদি কেউ মানুষ কিংবা প্রাণীকূলের উপকার সাধনের লক্ষ্যে ফলজ, বনজ বা ঔষধি গাছ রোপণ করে এবং এর মাধ্যমে সাওয়াব আশা করে, তবে এটি একটি উত্তম সাদাকায়ে জারিয়াহ; যার সওয়াবের ধারা ব্যক্তির মৃত্যুর পরও অব্যাহত থাকতে পারে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘যদি কোনো মুসলমান একটি বৃক্ষ রোপণ করে অথবা কোনো শস্য উৎপাদন করে এবং তা থেকে কোনো মানুষ কিংবা পাখি অথবা পশু ভক্ষণ করে, তাহলে তা সে ব্যক্তির জন্য সাদাকাস্বরূপ।’ (সহীহ বুখারী: হাদীস-২৩২০, সহীহ মুসলিম: হাদীস-১৫৫৩)
শরীয়তপুর ইসলামী যুব সোসাইটি সাধারণত বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা এবং স্কুল মাঠে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছ লাগানোর চেষ্টা করে। যাতে পরিবেশ সুরক্ষার পাশাপাশি মানুষ তা থেকে উপকার লাভ করতে এবং ফল বিক্রি করে উক্ত প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামগত উন্নয়নে কাজে লাগাতে পারে।
শীতবস্ত্র বিতরণ
ইসলামের অন্যতম শিক্ষা মানবসেবা। কনকনে শীতে প্রত্যন্ত অঞ্চলের অসহায় শীতার্ত মানুষদের একটুখানি উষ্ণতা এনে দিতে শরীয়তপুর ইসলামী যুব সোসাইটি প্রতি বছর আয়োজন করে ‘শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি’।
শরীয়তপুর ইসলামী যুব সোসাইটি প্রতিটি স্পটে শীতবস্ত্র বিতরণের সময় মানুষকে বিশুদ্ধ ইসলাম পালনে উদ্বুদ্ধ করে থাকে। ঈমান-আকীদা, সালাত-সিয়ামের গুরুত্ব, নীতি-নৈতিকতা ও সততার অপরিহার্যতা বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ নসিহাহ পেশ করা এবং ক্ষেত্রবিশেষ দাওয়াতি বই ও লিফলেট বিতরণ করা হয়।
সাদাকাহ জারিয়াহ
সাদকাহ জারিয়াহ মানে— যে দানের উপকারিতা শুধু এককালীন নয়; বরং দীর্ঘদিন অব্যাহত থাকে। যে দানের উপকারিতা একবারই অর্জিত হয়, সেগুলোর সওয়াবও একবারই হয়। পক্ষান্তরে যে দানের উপকারিতা দীর্ঘদিন অব্যাহত থাকে, সেগুলোর সাওয়াব তথা বিনিময়ও মহান আল্লাহ দীর্ঘদিন পর্যন্ত অব্যাহত রাখেন।
আবু হুরায়রাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘যখন মানুষ মৃত্যুবরণ করে তখন তার সমস্ত আমল বন্ধ হয়ে যায় তিন প্রকার আমল ছাড়া। ১. সাদাকাহ জারিয়াহ; ২. এমন ইলম বা জ্ঞান যার দ্বারা অন্যের উপকার হয়; ৩. পুণ্যবান সন্তান যে তার জন্যে দু'আ করতে থাকে’। (সহীহ মুসলিম: হাদীস-১৬৩১)
শরীয়তপুর ইসলামী যুব সোসাইটির সাদাকায়ে জারিয়াহ প্রকল্পসমূহের মধ্যে রয়েছে মসজিদ-মাদরাসা নির্মাণ, বৃক্ষ রোপন, দীনি বই-পুস্তক বিতরণ ও গৃহহীনদের জন্য গৃহ নির্মাণ ইত্যাদি। এসব প্রকল্পের নির্দিষ্ট কোনো একটির দায়িত্ব এককভাবে নেওয়া যায়। আবার কেউ চাইলে সাদাকাহ জারিয়াহ খাতে যে কোনো পরিমাণ দান করতে পারেন। সে অর্থ কতৃপক্ষ সাদাকা জারিয়াহর যে প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রয়োজন অনুভব করবেন সে খাতে ব্যয় করবেন।
এসব প্রকল্পের নির্দিষ্ট কোনো একটির দায়িত্ব এককভাবে নেওয়া যায়। আবার কেউ চাইলে সাদাকাহ জারিয়াহ খাতে যে কোনো পরিমাণ দান করতে পারেন। সে অর্থ কতৃপক্ষ সাদাকা জারিয়াহর যে প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রয়োজন অনুভব করবেন সে খাতে ব্যয় করবেন।
এই প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে ঠাকুরাঁওয়ে ১০টি নওমুসলিম পরিবারকে ১.৫ শতাংশ জমি ক্রয় পূর্বক বাসগৃহ নির্মাণ করে দেয়া হয়েছে।
রক্তদান কর্মসূচি
মানব সেবা মহান আল্লাহকে খুশি করার অন্যতম মাধ্যম। নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত ইত্যাদি ইবাদতের মাধ্যমে যেমন আল্লাহর সন্তুষ্টি পাওয়া যায়, পাপমুক্ত হওয়া যায়। তেমনি মানব সেবার মাধ্যমে তাঁর সন্তুষ্টি পাওয়া যায়। এ জন্যই মহান আল্লাহ বান্দাদের উদ্দেশ্য করে পবিত্র কোরআনে বলেন, ‘পূর্ব ও পশ্চিমে মুখ ফেরানোটাই সৎকর্ম নয়; বরং প্রকৃত সৎকর্মশীল ওই ব্যক্তি, যে বিশ্বাস স্থাপন করে আল্লাহ, পরকাল, ফেরেশতামণ্ডলী, আল্লাহর কিতাব ও নবীদের ওপর এবং যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে সম্পদ ব্যয় করে নিকটাত্মীয়, এতিম, মিসকিন, মুসাফির, প্রার্থী ও দাসমুক্তির জন্য। ’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ১৭৭) ।
মানুষের জীবন বাঁচাতে কোনো রকম বিনিময় ছাড়া আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় রক্তদানও একটি মহান ইবাদত। কেউ যদি একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় এই ইবাদত করতে পারে, তাহলে সে মহান আল্লাহর কাছে এর উত্তম প্রতিদান পাবে ইনশাআল্লাহ। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, আর যে মানুষের প্রাণ বাঁচালো, সে যেন তামাম মানুষকে বাঁচালো। (সুরা মায়েদা, আয়াত : ৩২)
যদিও আমরা সোসাইটির পক্ষ থেকে এখনো রক্তদান কর্মসূচি চালু করতে পারিনি তবে আমাদের কর্মপরিকল্পনা এটা রয়েছে। শরীয়তপুর ইসলামী যুব সোসাইটি খুব শীঘ্রই এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে ইনশাআল্লাহ।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
প্রাকৃতিক ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার ক্ষেত্রে গাছ অবিকল্প ভূমিকা পালন করছে। এমনিতেই প্রাকৃতিক দুর্যোগ দিনে দিনে বেড়ে চলেছে, বাড়ছে জনসংখ্যার চাপ, পাশাপাশি চলছে নগরায়ণ, বাড়ছে বিষাক্ত ধোঁয়া, বাতাসে সিসার পরিমাণ। ফলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও পরিবেশগত বিরূপতায় আমরা মুখোমুখি হচ্ছি খরা, বন্যা, ঝড়, সাইক্লোন, ঘূর্ণিঝড়, ভূমিকম্পসহ নানা ধরনের ভয়াবহ প্রতিকূলতার। প্রাকৃতিক দুর্যোগ রোধে গাছ পালন করে উপকারী বন্ধুর ভূমিকা।
গাছ সৃষ্টির এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার কথা উল্লেখ করে আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘আমি বিস্তৃত করেছি ভূমিকে, স্থাপন করেছি পর্বতমালা এবং তা হতে উদগত করেছি নয়ন জুড়ানো সব ধরনের উদ্ভিদ। এটি আল্লাহর অনুরাগী প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য জ্ঞান ও উপদেশস্বরূপ। আকাশ থেকে আমি বর্ষণ করি উপকারী বৃষ্টি এবং তা দ্বারা আমি সৃষ্টি করি উদ্যান, শস্যরাজি ও সমুন্নত খেজুর বৃক্ষ, যাতে আছে গুচ্ছ গুচ্ছ খেজুর’- (সুরা কাফ, আয়াত : ৭-১০)।
গাছ লাগানোর গুরুত্ব ও ফযীলত ও অপরিসীম। এটি একটি সাদাকায়ে জারিয়ামূলক নেক কাজ। যদি কেউ মানুষ কিংবা প্রাণীকূলের উপকার সাধনের লক্ষ্যে ফলজ, বনজ বা ঔষধি গাছ রোপণ করে এবং এর মাধ্যমে সাওয়াব আশা করে, তবে এটি একটি উত্তম সাদাকায়ে জারিয়াহ; যার সওয়াবের ধারা ব্যক্তির মৃত্যুর পরও অব্যাহত থাকতে পারে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘যদি কোনো মুসলমান একটি বৃক্ষ রোপণ করে অথবা কোনো শস্য উৎপাদন করে এবং তা থেকে কোনো মানুষ কিংবা পাখি অথবা পশু ভক্ষণ করে, তাহলে তা সে ব্যক্তির জন্য সাদাকাস্বরূপ।’ (সহীহ বুখারী: হাদীস-২৩২০, সহীহ মুসলিম: হাদীস-১৫৫৩)
শরীয়তপুর ইসলামী যুব সোসাইটি সাধারণত বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা এবং স্কুল মাঠে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছ লাগানোর চেষ্টা করে। যাতে পরিবেশ সুরক্ষার পাশাপাশি মানুষ তা থেকে উপকার লাভ করতে এবং ফল বিক্রি করে উক্ত প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামগত উন্নয়নে কাজে লাগাতে পারে
আমগাছ (আম্রপালি)
লিচু (চায়না-৩)
সীডলেস লেবু
কিছু নারিকেলের চারা (পরীক্ষামূলক)
কিছু খেজুর গাছের চারা (পরীক্ষামূলক)
এ যাবৎ মোট ১ লাখ ১৫ হাজার ৭৯২টি গাছ লাগানো হয়েছে। বর্তমানে আরো ১ লাখ বৃক্ষরোপণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। প্রতি বছর এই ধারা অব্যাহত থাকবে; বরং আরো বেগবান হবে ইন-শা-আল্লাহ।
ইফতার সামগ্রী বিতরণ
ইফতার সামগ্রী বিতরণ শরীয়তপুর ইসলামী যুব সোসাইটির নিয়মিত কর্মসূচির একটি। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের অভাবী সিয়াম পালনকারীরা যেন রামযান মাসে নির্বিঘ্নে সিয়াম পালন ও ইবাদত-বন্দেগী করতে পারেন, সে লক্ষ্যে তাদের মধ্যে ইফতার সামগ্রী বিতরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। ইফতার করানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি আমল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোনো সিয়াম পালনকারীকে ইফতার করাবে তাকে সিয়াম পালনকারীর সমপরিমাণ সাওয়াব দেওয়া হবে। তাতে সিয়াম পালনকারীর সাওয়াব থেকে বিন্দুমাত্র কমানো হবে না। (সুনান তিরমিযী: হাদীস-৮০৭; সুনান ইবনু মাজাহ: হাদীস-১৭৪৬) ইফতার সামগ্রীর মধ্যে থাকে,ছোলা,মুড়ি,চিড়া,খেজুর,চিনি, ইসবগুলের ভূসি ইত্যাদি।
রক্তদান কর্মসূচি
মানব সেবা মহান আল্লাহকে খুশি করার অন্যতম মাধ্যম। নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত ইত্যাদি ইবাদতের মাধ্যমে যেমন আল্লাহর সন্তুষ্টি পাওয়া যায়, পাপমুক্ত হওয়া যায়। তেমনি মানব সেবার মাধ্যমে তাঁর সন্তুষ্টি পাওয়া যায়। এ জন্যই মহান আল্লাহ বান্দাদের উদ্দেশ্য করে পবিত্র কোরআনে বলেন, ‘পূর্ব ও পশ্চিমে মুখ ফেরানোটাই সৎকর্ম নয়; বরং প্রকৃত সৎকর্মশীল ওই ব্যক্তি, যে বিশ্বাস স্থাপন করে আল্লাহ, পরকাল, ফেরেশতামণ্ডলী, আল্লাহর কিতাব ও নবীদের ওপর এবং যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে সম্পদ ব্যয় করে নিকটাত্মীয়, এতিম, মিসকিন, মুসাফির, প্রার্থী ও দাসমুক্তির জন্য। ’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ১৭৭)
মানুষের জীবন বাঁচাতে কোনো রকম বিনিময় ছাড়া আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় রক্তদানও একটি মহান ইবাদত। কেউ যদি একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় এই ইবাদত করতে পারে, তাহলে সে মহান আল্লাহর কাছে এর উত্তম প্রতিদান পাবে ইনশাআল্লাহ। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, আর যে মানুষের প্রাণ বাঁচালো, সে যেন তামাম মানুষকে বাঁচালো। (সুরা মায়েদা, আয়াত : ৩২)
যদিও আমরা সোসাইটির পক্ষ থেকে এখনো রক্তদান কর্মসূচি চালু করতে পারিনি তবে আমাদের কর্মপরিকল্পনা এটা রয়েছে। শরীয়তপুর ইসলামী যুব সোসাইটি খুব শীঘ্রই এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে ইনশাআল্লাহ।
বই-পুস্তক লিফলেট বিতরণ
ঈমান-আকীদা, দোয়া ও ইসলামের বিধি-বিধান সম্পর্কে মুসলিমদের জ্ঞানার্জনের অন্যতম উপায় হিসাবে সোসাইটির পক্ষ থেকে পবিত্র কুরআনসহ বিভিন্ন ইসলামিক বই-পুস্তক ও লিফলেট বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়। ইতিমধ্যে আমরা মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মধ্যে কুরআনুল কারীম উপহার, মক্তবের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দোয়া ও হাদিসের বই বিতরণ এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ঈমান ও আকিদার বই বিতরণ করেছি।
মাজলিসুস সুন্নাহ
ইসলাম প্রচারের সুমহান দায়িত্ব নিয়েই যুগে যুগে অসংখ্য নবী-রাসূল পৃথিবীতে প্রেরিত হয়েছেন। আল্লাহর প্রতি যাদের বিশ্বাস নেই, অথবা যারা বিকৃত বিশ্বাসের অধিকারী, তাদেরকে সঠিক পথের দিশা দেয়া, আল্লাহর মনোনীত দ্বীনের পথে আহ্বান করাই ছিল নবী-রাসূলদের কাজ। সব নবীই তাঁর উম্মতের পরম হিতাকাঙ্ক্ষী হিসেবে তাদের একত্ববাদ ও বিশুদ্ধ ইবাদতের আদেশ করেছেন এবং শিরক, কুফর ও পাপাচার করতে নিষেধ করেছেন। মহান আল্লাহ বলেন, ‘হে রাসূল! আপনার পালনকর্তার পক্ষ থেকে আপনার ওপর যা অবতীর্ণ হয়েছে, তা প্রচার করুন। যদি আপনি তা না করেন, তাহলে আপনি আল্লাহর বার্তা প্রচার করলেন না।’ (সূরা মায়িদা: ৬৭)।
যেহেতু নবুওতের ধারা বন্ধ হয়ে গিয়েছে; সুতরাং ইসলাম প্রচারের এই গুরুদায়িত্ব এই উম্মতের ওপরই অর্পিত হয়েছে। দ্বীন ইসলাম প্রচারের এই দায়িত্বে শৈথিল্যের পরিণতি কী হতে পারে, তা আজ আমাদের সামনে স্পষ্ট। ইসলাম সঠিকভাবে প্রচার না হওয়ার সুযোগে কুচক্রি ও স্বার্থান্বেষী মহল ইসলামের নামে বিভিন্ন অপতৎপরতা এবং বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টি করছে।
শরীয়তপুর ইসলামী যুব সোসাইটির তিনটি মৌলিক কাজের একটি হলো ‘দাওয়াহ’ বা ইসলাম প্রচার। পবিত্র কুরআন ও সহীহ্ সুন্নাহর আলোকে ইসলামের সঠিক চিত্র প্রচার-প্রসারের লক্ষ্যে নির্ভরযোগ্য দায়ীদের মাধ্যমে সভা- সেমিনার, ওয়াজ- মাহফিল ও বিশুদ্ধ আকিদা ও মানহাজের বই- পুস্তক ও লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে সর্বসাধারণকে শিরক- বিদআত মুক্ত বিশুদ্ধ ইসলাম জানতে এবং পালন করতে উদ্বুদ্ধ করা
ইসলাম প্রচার
ইসলাম প্রচারের সুমহান দায়িত্ব নিয়েই যুগে যুগে অসংখ্য নবী-রাসূল পৃথিবীতে প্রেরিত হয়েছেন। আল্লাহর প্রতি যাদের বিশ্বাস নেই, অথবা যারা বিকৃত বিশ্বাসের অধিকারী, তাদেরকে সঠিক পথের দিশা দেয়া, আল্লাহর মনোনীত দ্বীনের পথে আহ্বান করাই ছিল নবী-রাসূলদের কাজ। সব নবীই তাঁর উম্মতের পরম হিতাকাঙ্ক্ষী হিসেবে তাদের একত্ববাদ ও বিশুদ্ধ ইবাদতের আদেশ করেছেন এবং শিরক, কুফর ও পাপাচার করতে নিষেধ করেছেন। মহান আল্লাহ বলেন, ‘হে রাসূল! আপনার পালনকর্তার পক্ষ থেকে আপনার ওপর যা অবতীর্ণ হয়েছে, তা প্রচার করুন। যদি আপনি তা না করেন, তাহলে আপনি আল্লাহর বার্তা প্রচার করলেন না।’ (সূরা মায়িদা: ৬৭)।
যেহেতু নবুওতের ধারা বন্ধ হয়ে গিয়েছে; সুতরাং ইসলাম প্রচারের এই গুরুদায়িত্ব এই উম্মতের ওপরই অর্পিত হয়েছে। দীন ইসলাম প্রচারের এই দায়িত্বে শৈথিল্যের পরিণতি কী হতে পারে, তা আজ আমাদের সামনে স্পষ্ট। ইসলাম সঠিকভাবে প্রচার না হওয়ার সুযোগে কুচক্রি ও স্বার্থান্বেষী মহল ইসলামের নামে বিভিন্ন অপতৎপরতা এবং বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টি করছে।
শরীয়তপুর ইসলামি যুব সোসাইটি তিনটি মৌলিক কাজের একটি হলো ‘দাওয়াহ’ বা ইসলাম প্রচার। বিশ্বব্যাপী পবিত্র কুরআন ও সহীহ্ সুন্নাহর আলোকে ইসলামের সঠিক চিত্র প্রচার-প্রসারের লক্ষ্যে বিভিন্ন পদ্ধতিতে কাজ করে আসছে। মূলত ইসলামের বহুমুখী খেদমত ও প্রচার-প্রসারই ফাউন্ডেশনের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। সপ্তাহিক দারস, মাসিক মাজলিসুস সুন্নাহ ও নিজস্ব স্টুডিও থেকে প্রচারিত বিভিন্ন দাওয়াতী উদ্যোগ ফাউন্ডেশনের ইসলাম প্রচার কার্যক্রমেরই অংশ।
স্বত্ব © 2024
শরীয়তপুর ইসলামি যুব সোসাইটি
- সর্ব স্বত্ব সংরক্ষিত।
কারিগরি সহায়তায়
কোয়ান্টিক ডায়নামিক্স।
পরিষেবার শর্তাবলী |
গোপনীয়তা নীতি
