আমাদের সম্পর্কে
শরীয়তপুর ইসলামি যুব সোসাইটি
শরীয়তপুর ইসলামী যুব সোসাইটি একটি অরাজনৈতিক, অলাভজনক শিক্ষা, দাওয়াহ ও পূর্ণত মানবকল্যাণে নিবেদিত সমাজ সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠান মানবতার শিক্ষক, মানুষের মুক্তি ও শান্তির দূত, মানবসেবার আদর্শ, মহানবী মুহাম্মদ সা.-এর পদাঙ্ক অনুসরণ করে আর্তমানবতার সেবা, সমাজ সংস্কার, মহত্তম নীতিচেতনার সঞ্চার, কর্মসংস্থান তৈরি, দারিদ্র্য বিমোচন, ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠা, দ্বীন এবং দুনিয়াবী শিক্ষার সমন্বয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরি করা, ত্রাণ বিতরণ, স্বল্পমূল্যে বা বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান, পরিচ্ছন্ন মানসিকতা গঠনে নিরন্তর নানা কর্মসূচি পালন, সর্বোপরি মৌখিক, লৈখিক ও আধুনিক সকল প্রচারমাধ্যম ব্যবহার করে মানুষকে ইসলাম পালনে উদ্বুদ্ধ করার মাধ্যমে একটি আদর্শ কল্যাণমূলক সমাজ গঠনে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাবে।
নীতি ও আদর্শ
শিরকমুক্ত ঈমান ও বিদ'আতমুক্ত আমলের প্রতি আহ্বান করা।
শিক্ষা বিস্তারের মাধ্যমে সমাজে চলমান নানা রকম ভ্রান্ত বিশ্বাস এবং কুসংস্কার দূর করে একটি ন্যায়-নীতি পূর্ণ আদর্শ সমাজ গঠন করা।
রাজনৈতিক কর্ম ও অবস্থান গ্রহণ থেকে বিরত থাকা এবং দলমত নির্বিশেষে সকলের বৃহত্তর কল্যাণে কাজ করে যাওয়া ।
লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
রাসূলুল্লাহ (সাল্লালহু আলইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জীবনাদর্শের আলোকে
০১। দরিদ্র মানুষের মধ্যে যে কোন প্রকার জনহিতকর বা দাতব্য কার্যক্রম পরিচালনা করা।
০২। দরিদ্র পরিবারের মধ্যে শীত বস্ত্র, ইফতার সামগ্রী, ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা।
০৩। মাদ্রাসা/স্কুল শিক্ষার্থীদের উৎসাহ প্রদানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আযোজন এবং পুরস্কার বিতরণ করা।
০৪। মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল, কবরস্থান সম্প্রসারণে সহযোগিতা করা।
০৫। ইসলাম এবং সাধারন শিক্ষার সমন্বয়ে কিন্ডারগার্টেন প্রতিষ্ঠা করা এবং পর্যায়ক্রমে উচ্চশিক্ষার জন্য আলাদা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরি করা।
৬। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দ্বীন এবং দুনিয়াবী শিক্ষার সমন্বয়ে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা।
৭। সমাজে চলমান নানা রকম ভ্রান্ত বিশ্বাস এবং কুসংস্কার দূর করে একটি ন্যায়-নীতি পূর্ণ আদর্শ সমাজ গঠন করা।
০৮। সমাজে চলমান হানাহানি-মারামারি, হিংসা-বিদ্বেষ দূর করে একটি ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সমাজ গঠন করা।
০৯। সমাজে মিশে থাকা বিভিন্ন প্রকার অপসংস্কৃতি দূর করে সুস্থ ধারার সংস্কৃতি চালু করা।
১০। অশিক্ষিত ও অর্ধশিক্ষিত মানবগোষ্ঠীকে উন্নত পদ্ধতিতে শিক্ষামূলক কার্যক্রম গ্রহণের মাধ্যমে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া/গ্রহণ।
১১। জনসাধারণকে/দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে/মানব সমাজকে উপযোগিতামূলক/তাহাদের হিতকর কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করা।
১২। সাধারণ মানুষের মধ্যে পাঠাগার/পাঠকক্ষ প্রতিষ্ঠা করে পাঠাভ্যাস গড়ে তোলার ব্যাপারে সচেতন করা।
১৩। প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা, গর্ভবতী মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচী বাস্তবায়ন করা ও এইচআইভি এইডস সহ বিভিন্ন যৌনবাহিত রোগ সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করা।
১৪। স্বাস্থ্য ও পয়ঃনিস্কাশন কর্মসূচী বাস্তবায়ন করা। রক্তদান কর্মসূচি পালন। প্রতিবন্ধি ও অসহায় মানুষের পাশে দাড়ানো।
১৫। মাদক বিরোধী আন্দোলন গড়ে তোলা ও মাদকাসক্ত পূর্ণবাসন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা।
১৬। এতিম, অনাথ, অসহায় বৃদ্ধ/বৃদ্ধা, বেকার, পঙ্গু, মুক্তিযোদ্ধা ও প্রতিবন্ধীদের পূর্নবাসনমূলক প্রকল্প গ্রহণ।
১৭। অবহেলিত দারিদ্র পীড়িত মানুষের মধ্যে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দূর্যোগে যেমন-বন্যা, সাইক্লোন ও ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ত্রাণ বিতরন ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদান।
১৮। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের আর্তমানবতার সেবায় সমর্পিত অরাজনৈতিক, অসাম্প্রদায়িক, অবানিজ্যিক, দাতব্য, সেচ্ছাসেবী সমাজ কল্যাণ ফাউন্ডেশন।
১৯। বেকার সমস্যা মোকাবেলা করার জন্য বাংলাদেশের জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রুপান্তরীত করা।
২০। শিক্ষিত বেকার জনগণকে বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মদক্ষ করে গড়ে তোলা।
২১। পথ শিশুদের জন্য অনাথ আশ্রম গড়ে তুলে এদের খাদ্য, বস্ত্র, চিকিৎসা ও শিক্ষার নিশ্চয়তা দেওয়া ও সার্বিক সহায়তা করা।
২২।গ্রামীণ দরিদ্র জনশক্তিকে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা।
২৩। যুব সমাজকে ইসলাম পালনে উদ্বুদ্ধ করার মাধ্যমে অনৈতিক এবং অসামাজিক কাজ থেকে বিরত রাখার মাধ্যমে একটি আদর্শবান যুব সমাজ তৈরি করা
কার্যক্রম
শরীয়তপুর ইসলামী যুব সোসাইটি প্রধানত তিনটি সেক্টরে কাজ করে— শিক্ষা, সেবা ও দা’ওয়াহ।
শিক্ষা কার্যক্রম সমূহ
ইসলাম এবং সাধারন শিক্ষার সমন্বয়ে কিন্ডারগার্টেন প্রতিষ্ঠা করা এবং পর্যায়ক্রমে উচ্চশিক্ষার জন্য আলাদা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরি করা।
অসচ্ছল পরিবারের শিশুদের বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়া রোধে পড়া-লেখা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচ যোগানো।
মাদ্রাসা/স্কুল শিক্ষার্থীদের উৎসাহ প্রদানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আযোজন এবং পুরস্কার বিতরণ করা।
পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করে পাঠাভ্যাস গড়ে তোলার ব্যাপারে সচেতন করা।
ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দ্বীন এবং দুনিয়াবী শিক্ষার সমন্বয়ে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা।
সেবা কার্যক্রম
দরিদ্র পরিবারের মধ্যে শীত বস্ত্র, ইফতার সামগ্রী, ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা।
অশিক্ষিত ও অর্ধশিক্ষিত মানবগোষ্ঠীকে উন্নত পদ্ধতিতে শিক্ষামূলক কার্যক্রম গ্রহণের মাধ্যমে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ।
রক্তদান কর্মসূচি পালন। প্রতিবন্ধি ও অসহায় মানুষের পাশে দাড়ানো।
অবহেলিত দারিদ্র পীড়িত মানুষের মধ্যে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দূর্যোগে যেমন-বন্যা, সাইক্লোন ও ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ত্রাণ বিতরন ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদান।
পথ শিশুদের জন্য অনাথ আশ্রম গড়ে তুলে এদের খাদ্য, বস্ত্র, চিকিৎসা ও শিক্ষার নিশ্চয়তা দেওয়া ও সার্বিক সহায়তা করা।
গ্রামীণ দরিদ্র জনশক্তিকে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা।
দা‘ওয়াহ কার্যক্রম সমূহ
ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরার লক্ষ্যে বিভিন্ন এলাকার মসজিদ, মাদরাসা, জেলা অডিটরিয়াম, উপজেলা পরিষদ মিলনায়াতন, মাঠ প্রভৃতি সমাগমস্থলে সাপ্তাহিক, মাসিক, বার্ষিক ও উপলক্ষ-সাময়িক ওয়ায মাহফিল, মুক্ত মতবিনিময় এবং আলোচনাসভার আয়োজন করা।
বিশুদ্ধ ইসলামিক জ্ঞান, আকীদা, কর্মনীতি ও দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে মৌলিক ও প্রমাণ্য বইপত্র প্রকাশ ও প্রচার।
শিরক-বিদ‘আত, প্রান্তিকতা ও উগ্রপন্থা নির্মূলে উদ্যোগ গ্রহণ।
বিষয়ভিত্তিক আলোচনা অনুষ্ঠানের তথ্যচিত্র ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার।
ধর্মীয় ও সামাজিক কুসংস্কার দূরীকরণ ও অপসংস্কৃতি প্রতিরোধে নানামুখি ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
ইমাম ও খতীবদের জন্য দা‘ওয়াহ প্রশিক্ষণ।
শিশু-কিশোরদের ইসলামী সংস্কৃতিকেন্দ্র নির্মান।
পাঠাগার প্রতিষ্ঠা ।
তহবিল ও আয়ের এর উৎস
ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগণের দানের অর্থ ও তহবিল দিয়ে যাত্রা শুরু।
সদস্যদের ভর্তি ফি, চাঁদা/অনুদান ও দান ।
সদস্য, সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের এককালীন ও নিয়মিত অনুদান।
ফাউন্ডেশনর যে কোন প্রকল্প থেকে অর্জিত হয়।
জনসাধারণ কর্তৃক বিশেষ কোনো খাতে প্রদত্ত অনুদান। সচ্ছল মুসলিমদের প্রদেয় যাকাত, ফিতরা।
ইফতার ও কুরবানীসহ বিশেষ বিশেষ খাতে উসুলকৃত অর্থ।
সরকারী, বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, কল্যাণমূলক ফাউন্ডেশনের, দেশী-বিদেশী দাতা সংস্থার দান, অনুদান।
ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগণের দানের অর্থ ও তহবিল দিয়ে যাত্রা শুরু।
সদস্যদের ভর্তি ফি, চাঁদা/অনুদান ও দান ।
সদস্য, সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের এককালীন ও নিয়মিত অনুদান।
ফাউন্ডেশনর যে কোন প্রকল্প থেকে অর্জিত হয়।
জনসাধারণ কর্তৃক বিশেষ কোনো খাতে প্রদত্ত অনুদান। সচ্ছল মুসলিমদের প্রদেয় যাকাত, ফিতরা।
ইফতার ও কুরবানীসহ বিশেষ বিশেষ খাতে উসুলকৃত অর্থ।
সরকারী, বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, কল্যাণমূলক ফাউন্ডেশনের, দেশী-বিদেশী দাতা সংস্থার দান, অনুদান।
ব্যয়ের নীতিমালা
দাতাগণ যে খাতের জন্য দান করে থাকেন, সে খাতেই ব্যায় করা হয়। এক খাতের অর্থ অন্য খাতে ব্যয় করা হয় না।
যাকাত তহবিলে সংগৃহীত অর্থের শতভাগ হকদারদের মাঝে বণ্টন করা হয়।
প্রতিটি প্রকল্প সম্পন্ন হওয়ার পর আয়-ব্যয়ের বিস্তারিত হিসাব সংরক্ষণ করা হয়।
বছরে একবার চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট দ্বারা ফাউন্ডেশনের আয়-ব্যয়ের হিসাব নিরীক্ষণ করা হয়।
হিসাব-বিজ্ঞান বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত টীমের তত্ত্বাবধানে শরীয়তপুর ইসলামি যুব সোসাইটি সকল আর্থিক কার্যক্রম মনিটরিং করা হয়।
অর্জনসমূহ
২০২০ এবং ২০২১ সালে শরীয়তপুর জেলার সখিপুর থানাধীন কাঁচিকাটা ইউনিয়নে প্রায় ৩৬৮ পরিবার এবং ৬৩ জন মসজিদের ইমামের মধ্যে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
২০২৩ এবং ২০২৪ সালে শরীয়তপুর জেলার সখিপুর থানাধীন কাঁচিকাটা ইউনিয়নে প্রায় দেড় শতাধিক পরিবারের মধ্যে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা।
◽২০২১,২০২২ এবং ২০২৩ সালে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী, মসজিদের মুসল্লী এবং সাধারণ মানুষের জন্য ইফতারের আয়োজন করা হয়।
২০১৮ সালে উত্তর মাথাভাঙ্গা খান বাড়ি যাবে মসজিদ । উত্তর মাথাভাঙ্গা, কাঁচিকাটা, সখিপুর, শরীয়তপুর এবং সরদার বাড়ি যাবে মসজিদ(শাহজাহান সরদারের সমাজ) মান্দারতলী, কাঁচিকাটা, সখিপুর, শরীয়তপুর। উক্ত মসজিদ সমূহ নির্মাণে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়।
২০২০ সাল থেকে ২০২৪ পর্যন্ত ১৮ জন ব্যক্তিকে চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা হয়।
২০২২ সালে শরীয়তপুর জেলার সখিপুর থানাধীন কাঁচিকাটা ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামের গৃহহীন খোদেজা বেগমকে একটি টিন কাঠের ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হয়।
২০২১ সালে শরীয়তপুর জেলার সখিপুর থানাধীন কাঁচিকাটা ইউনিয়নের উত্তর মাথাভাঙ্গা গ্রামে জমি চাষ করার পাওয়ার টিলার দুর্ঘটনায় এক পা হারানো জসিম উদ্দিনকে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তৈরি করনে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।
২০২২ সালে মক্তব শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাদিস ও দোয়ার বই বিতরণ, উত্তর মাথাভাঙ্গা খান বাড়ি জামে মসজিদ, কাঁচিকাটা, সখিপুর, শরীয়তপুর।
◽২০২১ সালে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মধ্যে কুরআনুল কারীম উপহার, মিছির আলী সরদার দারুল ইকরা নূরানী মাদ্রাসা, বানিয়াল, মুন্সিগঞ্জ।
২০২২ এবং ২০২৩ সালে বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা এবং স্কুল মাঠে প্রায় তিন শতাধিক ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছ (কাঁঠাল, কৃষ্ণচূড়া, নিম, অর্জুন ও আমলকী) রোপণ করা হয়।
২০২০,২০২১ এবং ২০২২ সালে প্রায় দুই শতাধিক পরিবারের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।
২০২০ সালে করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) প্রতিরোধে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।
আলহামদুলিল্লাহ! এই সংস্থাটি উপরোক্ত বিষয়গুলো ছাড়াও বিভিন্ন প্রকার শিক্ষা, সেবা ও দা'ওয়াহ কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে
স্বত্ব © 2024
শরীয়তপুর ইসলামি যুব সোসাইটি
- সর্ব স্বত্ব সংরক্ষিত।
কারিগরি সহায়তায়
কোয়ান্টিক ডায়নামিক্স।
পরিষেবার শর্তাবলী |
গোপনীয়তা নীতি
